fbpx

স্টেপ – ০১

প্রথম বারের মতো ব্লগ শুরু করার অভিজ্ঞতা চমৎকার কিন্তু সাথে একটু ভয়ের অনুভূতিও কাজ করে। কি লিখবো, কারা পড়বে, যদি খারাপ মন্তব্য করে তাহলে কি হবে, এমন হাজারো প্রশ্ন আমাদের মনে ভর করে।

কিন্তু যখন দেখবেন আপনার ব্লগের আর্টিকেল মানুষ পড়ছে এবং শেয়ার করছে তখন আপনার মন ভালোলাগায় ভরে যাবে।

কিন্তু এটা রংধনু বা প্রজাপতি দেখার মতো সহজ কোন কাজ নয়। একটি ব্লগ শুরু করা অনেক পরিশ্রম সাপেক্ষ ব্যাপার এবং পথিমধ্যে অনেক রকম বাঁধার সম্মুখীন হতে হয়।

ব্লগ শুরু করতে গেলে আমাদের কি করতে হবে:

১. একটি নিশ ব্লগ ডোমেইন এর নাম সিলেক্ট করতে হবে এবং ডোমেনইটি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

২. যে কোন একটি ব্লগিং প্লাটফর্মকে নির্বাচন করুন – অনেকে ফ্রিতে ওয়ার্ডপ্রেসকে বেছে নেয়।

৩. ব্লগ হোস্টিং অ্যাকাউন্টের জন্য সাইন আপ করুন।

৪. ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করুন।

৫. ব্লগিং ওয়ার্ডপ্রেস থিম পছন্দ করুন।

৬. ব্লগের জন্য প্রয়োজনীয় ওয়ার্ডপ্রেস থিম নির্বাচন করুন।

৭. আপনার সাইটকে ব্লগ সেটিংয়ের জন্য কাস্টমাইজ করুন।

৮. এবার একটি ব্লগ লিখুন এবং পাবলিশ করুন।

এতোগুলো ধাপ দেখে ঘাবড়ে যাবেন না। এই কাজগুলো খুবই সহজ। প্রয়োজনে আপনি কারোর পরামর্শ নিতে পারেন। আসল চ্যালেঞ্জ আসবে যখন আমরা ব্লগ নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে থাকবো।

 

স্টেপ – ০২

ব্লগ নিয়ে কাজ করতে গেলে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমাদের সামনে চলে আসবে সেগুলো আমরা ধাপে ধাপে আলোচনা মাধ্যমে বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করবো। আসুন আমরা ব্লগের প্রয়োজনীয় কিছু বিষয় জেনে নেই।

১. মাসে ১০,০০০ এর বেশি ভিজিটর আনতে এসইও ব্যবহার করুন

এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হলো নির্দিষ্ট কি-ওয়ার্ডের বিপরীতে আপনার কনটেন্টকে সার্চ ইঞ্জিনে টপ র‍্যাঙ্কিং করানো। যেমন এটা হতে পারে গুগল সার্চে, বিং ইত্যাদিতে।

এসইও হলো একটি অর্থবোধক শব্দ যার মধ্যে রয়েছে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ, লিঙ্ক বিল্ডিং (অন্য সাইট থেকে নিজের সাইটে লিঙ্ক এনে সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাংক করানো), এইচ ১ ট্যাগ, মেটা ট্যাগ, মেটা ডেসক্রিপশন, মেটা কি-ওয়ার্ড, এল্ট অ্যাট্রিবিউট, বটক্স ডট টেক্সট, এক্সএমএল সাইট ম্যাপ, ডুপ্লিকেট কনটেন্ট, ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ রিডিরেকশন (৩০১), ক্যানোনিক্যাল ইস্যু, ইউজার ফ্রেন্ডলি ইউআরএল, ইমেজ সাইজ, ব্রোকেন লিঙ্ক, অ্যানালিটিক্স, ৪০৪ পেইজ, ক্লিক টু কল বাটন ইত্যাদি বিষয় রয়েছে।

(ক). নিশ এরিয়াতে এমন কি-ওয়ার্ড খুঁজবো যা র‍্যাঙ্ক করাতে বেগ পেতে হবে না।

আপনি Ahrefs, Moz, or SEMrush এর মতো টুলসের ব্যবহার করতে পারেন কি-ওয়ার্ড সার্চ করার জন্য। আপনাকে দেখতে হবে এমন কি-ওয়ার্ড যার কম্পিটিশন কম কিন্তু সার্চ ভল্যুউম অনেক বেশি।

(খ). এমন কনটেন্ট লিখুন যা ওয়েব সাইটের জন্য আকর্ষণীয় এবং যে কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করছেন সেটি যেন সহজে র‍্যাঙ্ক করে।

এই কাজটি দুই ধাপে সম্পন্ন করতে হয়।

প্রথমত, আপনাকে এমন কি-ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে যা দিয়ে সহজে সার্চ ইঞ্জিনে ব্লগকে র‍্যাঙ্ক করাতে পারেন। কোনো অনুমানের ভিত্তিতে এই কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। প্রয়োজনে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারেন।

এই কি-ওয়ার্ড নির্বাচন করার ক্ষেত্রে আরো যে বিষয় সক্রিয় বিবেচনায় আনতে হয় সেটি হলো, মানুষ যেন শব্দটি পড়ে বুঝতে পারে বা মূল বিষয়ের সাথে আর্টিকেলকে সংযুক্ত করতে পারে। আর র‍্যাঙ্ক করানোর বিষয়টি তো সবসময় মাথায় রাখতে হবে। অনেক ব্লগার আছেন যারা কয়েক বছর ব্লগিং করার পরও বুঝতে পারেন না কি ধরনের কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করবে।

দ্বিতীয়ত, এই কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করে আপনাকে কনটেন্ট তৈরি করতে হবে। গুগলে যে কোনো বিষয়ে সার্চ দিয়ে দেখুন প্রথম দশটি পোস্টে কি কি বিষয় অর্ন্তভূক্ত করেছে বা কনটেন্ট তৈরিতে কোন কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করেছে। এর মধ্যে থাকতে পারে খুব ভাল ইমেজ, বিষয়ের গভীর বিশ্লেষণ, অন্য রিসোর্স বা ওয়েব সাইটের সাথে লিঙ্ক করানো, ইত্যাদি।

Leave a Comment