fbpx

ফেসবুকে এড দিলে লাইক কমেন্ট আসে কিন্তু সেল আসে না!! চলুন আমরা এই সমস্যাটার সমাধানের চেষ্টা করি।

ফেসবুকে যে কোনো এড এর সফলতার জন্য চারটি বিষয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ –

১) কি অফার করছি?

নির্দিষ্ট একটি এড এ আমরা কিছু একটা করার জন্য অডিয়েন্সকে উদ্বুদ্ধ করি। এখানে আমাদের নিশ্চিত হতে হবে আমরা যে অফারটি করছি সেটি যাকে অফার করছি তার কাছে কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ বা প্রয়োজনীয়। আমরা যে পন্থায় তাকে অফার করছি সেটি তার কাছে কতটুকু বোধগম্য। আমরা যে ভাষা বা কন্টেন্ট ব্যবহার করছি সেটি তার কাছে কতটুকু আবেদন তৈরী করতে পারছে।

২) কাকে অফার করছি?

কাস্টমার সেগমেন্টেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যা আমরা প্রায়ই এড়িয়ে যাই এবং ক্ষতিগ্রস্ত হই। আপনাকে ঠিক করে নিতে হবে এই এডটি আপনি কাদের জন্য বানাচ্ছেন (খুব বেশি ব্রড বা খুব বেশি ন্যারো টার্গেটিং প্রচন্ড ক্ষতিকর)। তাদের মনমানসিকতা, চিন্তা চেতনা, আচার-ব্যবহার, সংস্কৃতি, বায়িং বিহাভিয়ার, পার্চেজ হ্যাবিট, ইনফ্লুয়েন্সিং এলিমেন্টস ইত্যাদি সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিয়ে সেই অনুযায়ী এড এর কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে।

৩) টার্গেটিং কতটুকু সঠিক?

ফেসবুকে লোকেশন, বয়স, লিংগ ছাড়াও “ডিটেইল্ড টার্গেটিং” অপশনে শত শত উপায়ে টার্গেটিং করা যায়, এছাড়াও কাস্টম অডিয়েন্স, পিক্সেল সহ আরো অনেকগুলো উপায় আছে শুধুমাত্র এটা নিশ্চিত করার জন্য যে সঠিক মানুষটা আপনার এডটি সঠিক সময়ে দেখছে। সেই সাথে পোস্ট বুস্ট,পেজ বুস্ট ছাড়াও আরো ৯+ ধরনের এড এর ফরমেট আছে যেগুলো একেকটা একেক কাজের জন্য সেরা। এগুলোর সঠিক ব্যাবহার আপনার সেল বাড়িয়ে দিবে বহুগুণে।

৪) ক্লোজ মনিটরিং হচ্ছে কি?

একটা এড রান করানোর পরেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। রিলেভেন্স স্কোর কত হল, কস্ট পার মেসেজ কত, কনভার্সন কি ঠিকমত হচ্ছে, না হলে কেন হচ্ছে না … এমন ১৫ থেকে ২০ টা মেট্রিক্সে চোখ রেখে সেই অনুযায়ী অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা ও প্রয়োজনে পরিবর্তন বা সংশোধন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 

Leave a Comment